রবিবার রাতে মালবাজারের এক বুনো হাতির হামলায় এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। নাগাদ মাল সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসা চলাকালীন বুনো হাতির হামলায় গুরুতর আহত ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। মৃত যুবকের নাম সন্দেশ, বয়স ৩৫ বছর। এলাকায় আতঙ্কের কারণে সহযোগিতা ও সুবিধা পেয়েছে স্থানীয় লোকজন।
জানা গিয়েছে, রবিবার রাতে সন্দেশ ও তার সহকর্মীদের মধ্যে কয়েকজন একসাথে কালীপুজো উদযাপনে যাচ্ছিলেন। তাদের পথে এক বুনো হাতি উদ্ধার হয়, যা হাতিকে তাড়াতে নেওয়া হয়। তাদের চেষ্টা করতেই হাতি উল্টে দিচ্ছে এবং তাদের দিকে তেজ গতিতে আক্রমণ করছে। এ ঘটনায় সন্দেশ গুরুতর আহত হয়েছেন, যার পর সুলকাপাড়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপরে তাকে মালবাজার সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালে রেফার করা হয়। তার চিকিৎসা চলতেই রাত ১টা নাগাদ তার মৃত্যু হয়। আহত সহকর্মী বালকরামকে চিকিৎসা জন্য মালবাজার নিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
মৃতের কাকা জগদীশ ওঁরাও জানান, 'প্রতিদিন এলাকায় হাতির উপদ্রব লেগেই আছে। রবিবার রাতেও হাতি তাড়াতে গিয়েছিলেন তাঁর ভাইপো। ভাইপোকে হাতি আক্রমণ করে বসে। আহত হয় আরও।' তিনি বলেছেন, রাতে তাঁর ভাইপো সন্দেশকে মালবাজার সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গভীর রাতে মারা যান তিনি। স্থানীয় লোকজনের কাছে হাতির আতঙ্কে চিন্তা ছড়িয়ে দিয়েছেন ওঁরা এবং বন দফতরে একটি ব্যবস্থা করার আবেগ প্রকাশ করেছেন।
হাতির আতঙ্কে স্থানীয় লোকজনের মধ্যে হানা চলছে। কৃষকদের ক্ষেতে হানা দিয়ে ধানক্ষেত থেকে হাতি তাড়াতে হচ্ছে। এ সময়ে হাতি আতঙ্কে স্থানীয় মানুষের সাথে লড়াই চলছে। মশাল জ্বালিয়ে ধানক্ষেত থেকে হাতি তাড়াতে হচ্ছে কৃষকদের। কৃষকেরা চান, বন দফতর এর কিছু ব্যবস্থা করুক এবং হাতির সঙ্গে মিলে আতঙ্কে দ্বিধা মোকাবিলা করতে।
বরাবরের মতো এ বছরও প্রতিনিয়ত লোকালয়ে হাতির আগমনে বাড়ছে কৃষকদের দুশ্চিন্তা, বাড়ছে দুর্ঘটনার আশঙ্কা, বাড়ছে ক্ষতিও। মালবাজারের মেটেলি ব্লকে এবং উত্তর ধুপঝোরা এলাকায় হাতির আগমনে বৃদ্ধি হয়েছে। এ এলাকায় ধান ক্ষেতে হানা দিয়ে হাতি তাড়াতে হচ্ছে কৃষকদের।
